বই পরিচিতি
সত্যি বলতে, ‘বেচারা ব্যাচেলর’ নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই, তবে আছে জোরদার হাসির খোরাক। শুধু কাঁদো কাঁদো চেহারার ব্যাচেলরদের অম্ল-মধুর জীবনালেখ্য নয়, এখানে রয়েছে আরো দেড় ডজন বিচিত্র স্বাদের রম্যরচনা- পড়ে হাসবেন কি কাঁদবেন, নাকি হাসতে হাসতেই কেঁদে ফেলবেন উচ্ছ্বাসে, সে পাঠকের ব্যাপার। আমি রম্য করি, রম্যে বাঁচি, মাতালবিশারদ তারাপদ রায়, অমর সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এবং সৈয়দ মুজতবা আলীর দারুণ ভক্ত আমি। এটুকু অন্তত নিশ্চিত করতে চাই- ‘বেচারা ব্যাচেলর’ পড়ে আপনি আপসোসে নিজের আঙুল কামড়ে ঘা করবেন না, এখানে রসের হাঁড়ি আছে, আরো আছে সূক্ষ্ম বিনোদন, ইংরেজ কবি জন ডান যাকে বলেছেন উইট, মানে মেধা দিয়ে হাসা।
বলে রাখা ভাল, ভালগার বা স্থূল সুড়সুড়িমূলক রম্য আমি লিখি না, ওটা গার্বেজ বা অরুচিকর জিনিস, অবশ্যই পরিত্যাজ্য। বেচারা ব্যাচেলর-এ আপনি আমোদ পাবেন, আনন্দ করবেন, খিলখিল করে হাসবেন, আবার কখনও ডুবে যেতে পারেন গভীর ভাবনায়। কারণ জীবন সত্যি সিরিয়াস, তাই বলে এত সিরিয়াস নয় যে শুধু ভেবে ভেবেই কাটিয়ে দেবেন পুরো লাইফ। আসুন না, স্রেফ যাপন নয়, জীবনটাকে আমরা সবাই মিলে একটু উদ্যাপন করি। এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলি দুর্দান্ত রম্যরচনা ‘বেচারা ব্যাচেলর’!

